নীলনদ আববহিকা
● পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীর নাম কি ?
নীলনদ
● নীলনদ এর দৈর্ঘ্য কত ?
৬৬৩০ কিমি ।
● নীলনদ এর উৎপত্তি কোথায় ?
ট্যাঁঙ্গানিকা হ্রদের নিকট বুরুন্ডির পার্বত্য আঞ্চলে।
● নীলনদ কোন সাগরে পতিত হয়েছে ?
ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে।
● মিশরের রাজধানীর নাম কি ?
কায়রো।
● সুদানের রাজধানীর নাম কি ?
খার্টুম ।
● নীলনদের একটি উপনদীর নাম লেখ ?
আটবারা।
● পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম হ্রদের নাম কি ?
ভিক্টোরিয়া হ্রদ।
● ভিক্টোরিয়া হ্রদ কোথায় অবস্থিত ?
উগান্ডা, কেনিয়া তাঞ্জানিয়া দেশের সীমানায়।
● নীলনদের একটি বন্দরের নাম লেখ ?
আলেকজান্দ্রিয়া।
● পৃথিবীর বৃহত্তম বাঁধের নাম কি ?
আসোয়ান।
● আসোয়ান বাঁধ কোন নদীর উপর দেওয়া হয়েছে ?
নীলনদের উপর।
● নীলনদ কোন দুটি নদীর মিলিত প্রবাহ ?
ব্লুনীল ও হোয়ইট নীল নদীর।
● সাড কি ?
নীলনদ অববাহিকা অঞ্চলে নানারকম ঘাস, লতাপাতা, কচুরিপানা প্রভৃতি আগাছার জলাভূমিকে সাড বলে।
● নীলনদ অববাহিকা অঞ্চলে মিশরের কত শতাংশ লোক
বাসকরে ?
প্রায় ৯৬% লোক।
● নীলনদ অববাহিকা অঞ্চলের জলবায়ু কেমন ?
ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু দেখাযায়।
● আটবারা থেকে আসোয়ান পর্যন্ত নীলনদে কটি খরস্রোত
দেখাযায় ?
৬ টি খরস্রোত দেখাযায়।
● মিশরের বৃহত্তম জলাশয়ের নামকি ?
লেকনাসের
● নীলনদ অঞ্চলের একটি সিমেন্ট কারখানার নামকি ?
হেলওয়ান।
● নীলনদ অববাহিকা অঞ্চলের একটি সার কারখানার
নামকি ?
আসোয়ান।
● সোনার বাঁধ কোন নদীতে গড়ে তোলা হয়েছে ?
ব্লুনীল নদীতে।
● ‘ মিশর নীলনদের দান ’ কে বলেছেন ?
ইতিহাসের জনক হেরোডোটাস ।
● নীলনদ অববাহিকা অঞ্চলের প্রধান ফসল কি ?
কার্পাস বা তুলা।
● নীলনদের একটি সেচ ব্যারেজ এর নাম লেখ ?
এসেনা।
● নীলনদ অববাহিকা অঞ্চলের প্রধান শিল্পাঞ্চল কোনটি ?
কায়রো শিল্পাঞ্চল।
● নীলনদ অববাহিকা অঞ্চলের পেট্ররসায়ন শিল্পকেন্দ্রর
নাম কি ?
আলেকজান্দ্রিয়া।
● নীলনদ অববাহিকা অঞ্চলের আয়তন কত ?
বর্গ কিমি।
● নীলনদ অববাহিকা অঞ্চলের আকৃতি কেমন ?
মাছের কাঁটার মতো ।
আমেরিকার হ্রদ অঞ্চল
● হ্রদ অঞ্চলের বৃহত্তম হ্রদের নাম কি ?
সুপেরিয়র।
● পৃথিবীর বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদের নাম কি ?
সুপেরিয়র।
● হ্রদ অঞ্চলের মোট হ্রদ কয়টি ?
মোট ৫ টি ।
● পৃথিবীর কসাইখানা কোন শহরকে বলা হয় ?
চিকাগো শহরকে (শিকাগো)
● হ্রদ অঞ্চলের হ্রদ গুলির নাম কি ?
সুপেরিয়র, মিশিগান, ইরি, অন্টারিও, হুরন।
● শিকাগো শহর কোন হ্রদের তীরে অবস্থিত ?
মিচিগান হ্রদের তীরে।
● পৃথিবীর বৃহত্তম মোটরগাড়ী নির্মাণ শিল্পকেন্দ্র কোনটি ?
ডেট্রিয়ট শহর।
● আমেরিকার ভুট্টা বলয় কোন অঞ্চলে দেখা যায় ? বাফেলো অঞ্চলে।
● হ্রদ অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ ময়দা কেন্দ্র কোথায় গড়ে উঠেছে ?
বাফেলো শহরে ।
● হ্রদ অঞ্চলের বৃহত্তম বন্দরের নামকি ?
শিকাগো।
● হ্রদ অঞ্চলের বৃহত্তম প্রান্তিক বন্দরের নামকি ?
ডুলুথ।
● ডুলুথ বন্দরটি কোন হ্রদের তীরে অবস্থিত ?
সুপেরিয়র হ্রদের পশ্চিম তীরে।
● হ্রদ অঞ্চলের বৃহত্তম তেল শোধনাগার কোথায় রয়েছে ?
ডুলুথ শহরে ।
● হ্রদ অঞ্চলের বৃহত্তম লৌহ-ইস্পাত কারখানা কোথায়
রয়েছে ?
গ্যারি শহরে।
● হ্রদ অঞ্চলের প্রাধান নদীর নাম কি ?
সেন্ট লরেন্স নদী।
● সেন্ট লরেন্স নদী কোন মহাসাগরে পতিত হয়েছে ?
উত্তর অ্যাটল্যান্টিক মহাসাগরে।
● সেন্ট লরেন্স নদীর দৈর্ঘ্য কত ?
প্রায় ৪০০০কিমি (4000 kms)
● হ্রদ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প কি ?
লৌহ-ইস্পাত শিল্প।
● হ্রদ অঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদ কি ?
আকরিক লোহা।
● হ্রদ অঞ্চলের বৃহত্তম লৌহ-ইস্পাতশিল্প কোথায়হয়েছে ?
পিটস্ বার্গে ।
● নায়াগ্রা জলপ্রপাত কোন নদীতে সৃষ্টি হয়েছে ?
সেন্ট লরেন্স নদীতে ।
● নায়াগ্রা জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত ?
ইরি ও অন্টারিও হ্রদের মাঝে সেন্ট লরেন্স নদীতে ।
● সেন্ট লরেন্স নদীর উপনদী গুলির নাম কি ?
ওটায়া, সেন্ট মরিস, চান্দিয়ের ।
পশ্চিমবঙ্গ
● পশ্চিমবঙ্গের উচ্চতম শৃঙ্গের নাম কি ?
সান্দাকফু (৩৬৩০ মি.)
● পশ্চিমবঙ্গের মালভূমি উচ্চতম শৃঙ্গের নাম কি ?
গোর্গাবুরু (৬৭৭ মি.)
● ত্রাসের নদী কাকে বলে ?
তিস্তা নদীকে।
● বাংলার দুঃখ কোন নদীকে বলা হয় ?
দামোদর নদকে।
● দামোদর নদ কোথাথেকে উৎপন্ন হয়েছে ?
খামারপাত পাহাড় থেকে।
● পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু কি প্রকৃতির ?
মৌসুমি জলবায়ু (উষ্ণ-আর্দ্র প্রকৃতির)
● পশ্চিমবঙ্গকে নেপালথেকে আলাদা করেছে কোনপাহাড় ?
সিঙ্গালীলা শৈলশিরা।
● পশ্চিমবঙ্গের কোথায় সক্রিয় বদ্বীপ দেখা যায় ?
সুন্দরবনে।
বারি মণ্ডল (মহাসাগর)
● পৃথিবীর মোট আয়তন কত ?
৫১ কোটি ৫৪ লক্ষ বর্গ কিমি।● পৃথিবীর কত শতাংশ জলভাগ দ্বারা আবৃত ?
৭১% আঞ্চল।
● পৃথিবীতে মহাসাগরের সংখ্যা কয়টি ?
৫ টি।
● একটি শীতল স্রোতের নাম লেখ ?
ক্যানারী স্রোত।
● পেরু স্রোতের অপর নাম কি ?
হামবোল্ড স্রোত।
● বেরিং স্রোত জাপান উপকূলে কি নামে পরিচিত ?
ওয়াশিও ।
● ভারত মহাসাগরের একটি স্রতের নাম লেখ ?
মোজাম্বিক স্রোত ।
● সুসিমা স্রোত কোথায় প্রবাহিত হয় ?
জাপান দ্বীপপুঞ্জের পশ্চিম দিকে।
● মোজাম্বিক ও মাদাগাস্কার স্রোতের মিলিত নাম কি ?
আগুলহাস স্রোত।
● জাপান উপকূলের উষ্ণস্রোতের নামকি ?
কুরেশিও স্রোত।
● জাপান স্রোতের অপর নামকি ?
কুরেশিও স্রোত।
● উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের জলের রং কি ?
নীল।
● শীতল সমুদ্রস্রোতের জলের রং কি ?
সবুজ (শ্যওলা ও কাদার জন্য)
● অন্তঃস্রোত কাকে বলে ?
সমুদ্রের নীচ দিয়ে শীতলস্রোত প্রবাহিত হয় বলে একে অন্তঃস্রোত বলে।
● বহিঃস্রোত কাকে বলে ?
সমুদ্রের উপর অংশ দিয়ে শীতলস্রোত প্রবাহিত হয় বলে একে বহিঃস্রোত বা পৃষ্ঠস্রোত বলে।
● ভারত মহাসাগরের একটি উষ্ণস্রোতের নামকি ?
আগুলহাস স্রোত
● ভারত মহাসাগরের একটি শীতলস্রোতের নামকি ?
পশ্চিম অস্ট্রেলীয় স্রোত
● প্রশান্ত মহাসাগরের একটি উষ্ণস্রোতের নামকি ?
কুরেশিও
● প্রশান্ত মহাসাগরের একটি শীতলস্রোতের নামকি ?
বেরিং স্রোত, ল্যাব্রাডর স্রোত
● অ্যাটল্যান্টিক মহাসাগরের একটি উষ্ণস্রোতের নামকি ?
ব্রাজিল স্রোত, উপসাগরীয় স্রোত
● অ্যাটল্যান্টিক মহাসাগরের একটি শীতলস্রোতের নামকি ?
বেঙ্গুয়েলা স্রোত।
● গ্র্যান্ডব্যাঙ্ক কি ?
গ্র্যান্ডব্যাঙ্ক হল একটি মগ্ন চড়া।
● হিমশৈল কি ?
সমুদ্রে ভাসমান বরফের স্তূপ।
● হিমপ্রাচীর কাকে বলে ?
উষ্ণস্রোতের ও শীতলস্রোতের মিলন স্থানকে হিমপ্রাচীর বলে।
● চাঁদের একবার পৃথিবীকে পাক খেতে কত সময় লাগে ?
২৭ দিন।
● পেরিজী কাকে বলে ?
পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যের দূরত্ব যখন ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার কিমি হয়।
● অ্যাঁপিজী কাকে বলে ?
পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যের দূরত্ব যখন ৪ লক্ষ ৭ হাজার কিমি হয়।
● জোয়ার কাকে বলে ?
চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে সমুদ্রের জলের ফুলে ওঠাকে জোয়ার বলে।
● ভাটা কাকে বলে ?
চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে সমুদ্রের জল নিয়মিত ফুলে ওঠে আবার নেমেও যায় । এই নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
● কোন স্থানে দিনে কবার মুখ্য জোয়ার হয় ?
একবার হয়।
● কোন স্থানে দিনে কবার জোয়ার হয় ?
দুইবার (একবার মুখ্য একবার গৌণ জোয়ার)
● কোন স্থানের দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ের পার্থক্য
কত ?
২৪ ঘঃ ৫২ মিঃ ।
২৪ ঘঃ ৫২ মিঃ ।
● দুটি জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধ্যান কত ?
১২ ঘঃ ২৬ মিঃ ।
১২ ঘঃ ২৬ মিঃ ।
● মুখ্য জয়ারের প্রধান কারন কি ?
চাদের আকর্ষণ ।
● মুখ্য জোয়ার কাকে বলে ?
চাদের আকর্ষণে যে জোয়ার হয় তাকে মুখ্য জোয়ার বলে।
● গৌণ জোয়ার কাকে বলে ?
মুখ্য জোয়ারের বিপরীত পার্শ্বে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ
জোয়ার বলে।
● কোটাল কাকে বলে ?
সমুদ্রের জোয়ারকে বলে।
● ভরা কোটাল (Spring Tide) কাকে বলে ?
অমাবশ্যা ও পূর্ণিমার দিন প্রবল জোয়ারকে বলে।
● মরা কোটাল (Neap Tide) কাকে বলে ?
শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের সপ্তমী অষ্টমী তিথির জোয়ারকে বলে।
● বানডাকা (Tidal bore) কাকে বলে ?
জোয়ারের জল ৭-৮ মিটার উচু হয়ে নদীতে
প্রবেশকরাকে বলে।
● সাড়াসাড়ি বান কাকে বলে ?
প্রায় ১ মিটার উচু হয়ে নদীতে জোয়ার প্রবেশকরাকে বলে।
● পৃথিবীর কোন কোন নদীতে জোয়ার ভাটা দেখা যায় ?
হুগলী , টেমস্
● সংযোগ কাকে বলে ?
অমাবশ্যার দিন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর অবস্থানকে সংযোগ
বলে।
● প্রতিযোগ কাকে বলে ?
পূর্ণিমার দিন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর অবস্থান প্রতিযোগ
বলে।
● বান কি ?
নদীতে সমুদ্রের জোয়ারের জল প্রবেশ করাকে বান বলে ।
● নিয়মিত জোয়ারের ফলে নদীর জল কিরূপ হয় ?
নদীর জল লবনাক্ত হয়ে পরে ।
● নিয়মিত ভাঁটার ফলে নদীতে কি হয় ?
আবর্জনা ও পলি মুক্তি ঘটে।
মহাসাগর | আয়তন | উষ্ণ সমুদ্র স্রোত | শীতল সমুদ্র স্রোত | মহীখাত |
প্রশান্ত মহাসাগর | ১৬৬৯৫৯০০ বর্গ কিমি | কুরেশিও বা জাপান স্রোত | হামবোল্ড স্রোত পেরু স্রোত বেরিং বা ওয়াশিও স্রোত ক্যালিফর্নিয়া স্রোত | মারিয়ানা খাত |
অ্যাটল্যান্টিক মহাসাগর | ৮০৪১৯০০০ বর্গ কিমি | ব্রাজিল স্রোত উপসাগরীয় স্রোত | বেঙ্গুয়েলা স্রোত ল্যব্রাডর স্রোত | ক্যামেন খাত |
ভারত মহাসাগর | ৭২৫২০০০০ বর্গ কিমি | আগুলহাস স্রোত | পশ্চিম অস্ট্রেলীয় স্রোত | সুন্দা খাত |
No comments:
Post a Comment